বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পে যারা তুলনামূলক কম খরচে ঝুঁকিহীন ও দীর্ঘস্থায়ী লাভ খুঁজছেন, তাদের প্রথম এবং প্রধান পছন্দ হলো মিশরীয় ফাউমি মুরগি। ফেনী জেলার আবহাওয়া—বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন উচ্চ আর্দ্রতা এবং শীতের নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশের সাথে এই জাতটি অসাধারণভাবে মানিয়ে নেয়। হিমি এগ্রো (Himi Agro) দীর্ঘ সময় ধরে এই হার্ডি ও লাভজনক জাতের প্যারেন্ট স্টক নিয়ে কাজ করছে। আমাদের দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা বলছে—বাণিজ্যিক ডিম উৎপাদনের জন্য ফাউমি মুরগির চেয়ে সহনশীল, সাশ্রয়ী ও লাভজনক জাত আর দ্বিতীয়টি নেই।
দেশি মুরগির ঐতিহ্যবাহী স্বাদ এবং কমার্শিয়াল লেয়ারের মতো উচ্চ ডিম উৎপাদন ক্ষমতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ হলো ফাউমি। ফেনী অঞ্চলের খামারিদের কাছে দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে এর অনন্য কিছু জৈবিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা। খাঁচায় কিংবা মুক্ত ও সেমি-স্কেভেঞ্জিং—উভয় পদ্ধতিতেই ফাউমি দুর্দান্ত পারফর্ম করে এবং খামারকে দ্রুত লাভজনক করে তোলে।
নতুন খামারিদের মনে এই প্রশ্নটি সবসময় সবচেয়ে বেশি উদয় হয়। ১ দিনের বাচ্চার প্রাথমিক ক্রয়মূল্য ও দাম কম হলেও এর ব্রুডিং ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত সংবেদনশীল। সামান্য তাপমাত্রার হেরফের হলে বাচ্চার নিউমোনিয়া বা কোল্ড কফ হতে পারে। অন্যদিকে, ১ মাস বয়সী বাচ্চার দাম কিছুটা বেশি হলেও এদের প্রাথমিক মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। হিমি এগ্রো খামারে আমরা নিজস্ব আধুনিক ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্রুডিং সম্পন্ন করি। ছাগলনাইয়ার দক্ষিণ বল্লবপুর বা হিলুয়া এলাকার আমাদের খামারটি সরাসরি ভিজিট করলেই আপনি আমাদের বাচ্চার বডি স্ট্রাকচার, গ্রোথ ও অ্যাক্টিভিটি নিজ চোখে দেখতে পারবেন।
হিমি এগ্রো কেবল একটি কমার্শিয়াল হ্যাচারি বা খামার নয়; আমরা প্রতিটি উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক সফলতার অংশীদার। ফেনী সদর, সোনাগাজী, দাগনভূঞা, পরশুরাম বা ফুলগাজীর শত শত খামারি আমাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট নিয়ে আজ স্বাবলম্বী।
ফাউমি মুরগির জন্য ঘর তৈরির সময় অবশ্যই পূর্ব-পশ্চিমমুখী লম্বালম্বি এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতি ১০০ প্রাপ্তবয়স্ক মুরগির জন্য প্রায় ২০০ বর্গফুট ছায়াঘেরা জায়গার প্রয়োজন। খাবারের ক্ষেত্রে শুরুর প্রথম ৮ সপ্তাহ ভালো মানের প্রোটিন সমৃদ্ধ স্টার্টার ফিড দিতে হবে, যাতে হাড় ও মাংসপেশী মজবুত হয়। পরবর্তীতে লেয়ার ফিড কিংবা সুষম ঘরোয়া মিশ্রণ দিয়ে খরচ আরও কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ ও ঠাণ্ডা পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
বাজারে অনেক সোর্স থেকে আপনি হয়তো কম দামে ফাউমি মুরগির বাচ্চা পাবেন, কিন্তু জিনগত বিশুদ্ধতা (Purity) ও গ্রোথ রেট নিয়ে প্রায়ই খামারিরা প্রতারিত হন। হিমি এগ্রো আপনাকে দিচ্ছে শতভাগ বিশুদ্ধ ফাউমি প্যারেন্ট স্টকের নিশ্চয়তা। আমরা প্রতিটি প্যারেন্ট স্টকের স্বাস্থ্য নিয়মিত পরীক্ষা করি এবং সুস্থ মুরগি থেকেই ডিম সংগ্রহ করে ইনকিউবেটরে ফোটানো হয়। ফলে আমাদের উৎপাদিত বাচ্চাগুলো অত্যন্ত চটপটে হয় এবং অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক দ্রুত গ্রোথ লাভ করে।
ফেনীর বুকে একটি আধুনিক ও তথ্যনির্ভর পোল্ট্রি শিল্প গড়ে তুলতে আজই আমাদের সাথে যুক্ত হোন। সরাসরি চলে আসুন আমাদের ছাগলনাইয়া শাখায় অথবা হটলাইনে কল করুন।
মোবাইল/হটলাইন: ০১৮৫৮৯৬৯২৪৭
ঠিকানা: দক্ষিণ বল্লবপুর, হিলুয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
জি হ্যাঁ, ফেনী জেলার নাতিশীতোষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া ফাউমি মুরগি পালনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল এবং এরা খুব সহজেই স্থানীয় পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
সুষম খাদ্য ও সঠিক পরিচর্যা পেলে একটি সুস্থ ফাউমি মুরগি বছরে সাধারণত ২৫০ থেকে ২৭০টি পর্যন্ত ডিম দিতে সক্ষম হয়।
নতুনদের জন্য ১ মাস বয়সী ব্রুডিং করা বাচ্চা কেনা সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে প্রাথমিক মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।
ফেনী ছাড়াও কুরিরাপ ও পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে আশপাশের বিভিন্ন জেলায় সুরক্ষিত পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে আমরা সুস্থ বাচ্চা পাঠিয়ে থাকি।
অন্যান্য বাণিজ্যিক হাইব্রিড জাতের তুলনায় ফাউমি মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক শক্তিশালী হয়, যা খামারের ওষুধ খরচ কমিয়ে আনে।
অবশ্যই! আপনি যেকোনো সময় ছাগলনাইয়ার দক্ষিণ বল্লবপুর, হিলুয়া শাখায় এসে আমাদের খামার পরিদর্শন করতে পারেন।
আপনি আমাদের হটলাইন নাম্বারে (01858969247) সরাসরি কল করে বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় বাচ্চার লট বুকিং করতে পারবেন।
জরুরি নোট: খামার ব্যবস্থাপনায় যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে বা রোগবালাই দমনে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আমি হিমি, পেশায় একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং নেশায় একজন খামারি। প্রযুক্তি এবং কৃষির সমন্বয়ে খামারকে লাভজনক করার অভিজ্ঞতাগুলোই আমি এখানে শেয়ার করি।