সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণই খামারের সাফল্যের চাবিকাঠি। আমাদের ডাটাবেজে থাকা ২৫+ রোগের বিস্তারিত গাইড আপনাকে রাখবে এক ধাপ এগিয়ে।
রিসোর্স তালিকা
23 টি রোগ
রানীক্ষেত পোল্ট্রির একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত মহামারি। এটি মূলত মুরগির শ্বসনতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে, যার ফলে খামারে ১০০% পর্যন্ত মৃত্যুহার হতে পারে।
গামবোরো পোল্ট্রির একটি অত্যন্ত মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ যা মুরগির 'বার্সা' বা রোগ প্রতিরোধকারী অঙ্গকে আক্রমণ করে। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে এটি খামারের বিশাল অংশ ধ্বংস করে দিতে পারে।
সিআরডি হলো মুরগির একটি দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। এটি মূলত মাইকোপ্লাজমা নামক জীবাণুর মাধ্যমে হয় এবং খামারে একবার ছড়িয়ে পড়লে মুরগির গ্রোথ বা বৃদ্ধি থমকে দাঁড়ায়।
ককসিডিওসিস হলো মুরগির অন্ত্রের একটি পরজীবীজনিত রোগ। এর প্রধান লক্ষণ হলো পায়খানার সাথে রক্ত আসা। এটি মূলত নোংরা লিটার এবং আর্দ্র পরিবেশের কারণে ছড়ায়।
ফাউল পক্স একটি ভাইরাসজনিত চর্মরোগ। এতে মুরগির পালকহীন চামড়া, ঝুঁটি এবং চোখের চারপাশে গুটি বা বসন্তের মতো ক্ষত দেখা দেয়। এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুরগির উৎপাদন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
ফাউল কলেরা একটি অতি তীব্র ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ। এটি মুরগির রক্তে বিষক্রিয়া তৈরি করে এবং হঠাৎ করে কোনো লক্ষণ ছাড়াই সুস্থ মুরগি মারা যেতে পারে।
কৃমি মুরগির অন্ত্রের এক প্রকার পরজীবী যা মুরগির শরীরের পুষ্টি শোষণ করে নেয়। এর ফলে মুরগি পর্যাপ্ত খাবার খেলেও তার বৃদ্ধি হয় না এবং হাড় বেরিয়ে আসে।
এটি মূলত ছত্রাকাক্রান্ত বা মানহীন খাবার খাওয়ার ফলে সৃষ্ট একটি বিষক্রিয়া। এটি মুরগির লিভার ও কিডনি নষ্ট করে দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম কমিয়ে ফেলে।
হিট স্ট্রোক হলো অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও আদ্রতার কারণে মুরগির শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হঠাৎ মৃত্যু। পোল্ট্রির শরীরে ঘাম গ্রন্থি না থাকায় তারা বাতাস থেকে তাপ ছাড়তে পারে না, যা এই সমস্যার মূল কারণ।
ফাউল টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক রোগ। এটি মূলত মুরগির লিভার ও রক্তকে আক্রান্ত করে এবং ডিম উৎপাদনকারী বা বড় মুরগির ক্ষেত্রে এটি মহামারি আকার ধারণ করতে পারে।
এগ বাউন্ড হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা যখন একটি মুরগি তার প্রজনন নালী থেকে ডিম বের করতে পারে না। এটি মূলত ক্যালসিয়ামের অভাব বা বড় আকারের ডিমের কারণে হয়ে থাকে।
ওমফালাইটিস হলো নবজাতক মুরগির বাচ্চার নাভির একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ। এটি সাধারণত হ্যাচারি বা ব্রুডিং পিরিয়ডের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে হয়ে থাকে।
মারেক্স পোল্ট্রির একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ক্যান্সার জাতীয় রোগ। এতে মুরগির স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে পা বা ডানা অবশ হয়ে যায় এবং মুরগি পঙ্গু হয়ে মারা যায়।
বার্ড ফ্লু একটি অত্যন্ত মারাত্মক এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসজনিত রোগ, যা কেবল মুরগি নয় বরং মানুষের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। এটি আক্রান্ত হলে খামারের প্রায় সব মুরগি দ্রুত মারা যায়।
রিকেটস হলো মুরগির বাচ্চার হাড়ের একটি সমস্যা, যাতে হাড় নরম ও বাঁকা হয়ে যায়। এটি মূলত ক্যালসিয়াম, ফসফরাস বা ভিটামিন ডি-৩ এর অভাবে হয়ে থাকে।
বটুলিজম হলো পচা খাবার বা মরা প্রাণী খাওয়ার ফলে সৃষ্ট একটি তীব্র বিষক্রিয়া। এতে মুরগির ঘাড় ও শরীর অবশ হয়ে যায়।
এটি স্যালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রমণ যা মূলত ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার বাড়িয়ে দেয় এবং বড় মুরগির ডিমের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে।
এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত ১-৩ সপ্তাহ বয়সী বাচ্চাদের আক্রমণ করে। এতে বাচ্চার মাথা ও শরীর থরথর করে কাঁপতে থাকে এবং এক পর্যায়ে বাচ্চা পঙ্গু হয়ে যায়।
গাউট হলো একটি বিপাকীয় সমস্যা যেখানে মুরগির শরীরে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং তা কিডনি ও জয়েন্টে জমা হয়ে চুনের মতো সাদা আস্তরণ তৈরি করে।
এটি এক প্রকার রক্তশূন্যতা ও জ্বরজনিত রোগ যা মূলত আঠালি (Ticks) বা উকুনের কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। একে 'পোল্ট্রি ম্যালেরিয়া'ও বলা হয়।
আইবিএইচ একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মুরগির লিভারকে আক্রমণ করে এবং লিভারকে ভঙ্গুর করে ফেলে। এটি মূলত ৩ থেকে ৫ সপ্তাহ বয়সী মুরগিতে হঠাৎ মৃত্যুহার বাড়িয়ে দেয়।
এটি মূলত উচ্চ উৎপাদনশীল লেয়ার বা ডিম পাড়া মুরগির একটি সমস্যা। অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে লিভার ফেটে মুরগি মারা যায়।
এটি একটি তীব্র ব্যাকটেরিয়াঘটিত শ্বাসতন্ত্রের রোগ যাতে মুরগির মুখ ও চোখ ফুলে যায় এবং নাক দিয়ে অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়।
আপনার খোঁজা রোগটি আমাদের তালিকায় নেই। সঠিক বানান দিয়ে পুনরায় চেষ্টা করুন অথবা আমাদের বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।