হাঁস পালন এখন আরও লাভজনক! হিমি এগ্রো দিচ্ছে উচ্চ গুণমানসম্পন্ন পিকিং, চীনা এবং টার্কি মুরগির বাচ্চা যা দ্রুত স্থানীয় পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়।
বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহরতলী এলাকায় হাঁস পালন একটি টেকসই আয়ের উৎস। **হিমি এগ্রো** খামারিদের জন্য এমন সব জাত নির্বাচন করে যেগুলোর মৃত্যুঝুঁকি কম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি।
বিশ্বজুড়ে মাংসের জন্য সেরা জাত হলো পিকিং। আমাদের বাচ্চাগুলো মাত্র ২ মাসেই আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনে পৌঁছায়। যারা দ্রুত রিটার্ন চান, তাদের জন্য এটি সেরা চয়েস।
চীনা হাঁস বা মাসকোভি ডাক মূলত বাড়ির উচ্ছিষ্ট খেয়েই বড় হতে পারে, ফলে এর উৎপাদন খরচ অনেক কম। এছাড়া আমাদের **টার্কি মুরগি** গুলো শৌখিন খামারিদের জন্য একটি আকর্ষণীয় ইনভেস্টমেন্ট, যা অল্প সময়ে বেশ বড় হয়।
আমাদের বাচ্চাগুলো জেনেটিক্যালি অনেক দ্রুত বর্ধনশীল।
প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া খাবারেই এই হাঁসগুলো দ্রুত বড় হয়।
ডেলিভারির আগে প্রতিটি বাচ্চার স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
সঠিক খাবার ও যত্ন পেলে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনেই একটি পিকিং হাঁস ৩ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
না, চীনা বা পিকিং হাঁস শুকনো জায়গায় পালন করা যায়। তবে গোসলের জন্য ছোট পাত্রে পানি দিলে তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।