বর্তমান সময়ে কমার্শিয়াল পোল্ট্রি সেক্টরে সবচেয়ে কম ঝুঁকি, ন্যূনতম মূলধন এবং অতি দ্রুত আয়ের একটি চমৎকার উৎস হলো কোয়েল পাখি পালন। বিশেষ করে ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া এবং দাগনভূঞার মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে যেখানে বাড়ির আঙিনায় বা খামারে জায়গার স্বল্পতা একটি বড় সমস্যা, সেখানে কোয়েল পালন গ্রামীণ অর্থনীতি ও বেকারত্ব দূরীকরণে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। হিমি এগ্রো (Himi Agro) খামারে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে কোয়েল পালনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, সঠিক পুষ্টি এবং এর সফল বাজারজাতকরণ নিয়ে কাজ করে আসছি।
অন্যান্য পাখি বা মুরগির তুলনায় কোয়েল পালনের পেছনে বেশ কিছু সুবিধাজনক দিক রয়েছে, যা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এটিকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে:
কোয়েল পালনে সর্বোচ্চ লাভ নিশ্চিত করতে হলে এর বৈজ্ঞানিক হাউজিং ও ফিডিং মেথড মেনে চলতে হবে, যা আমরা আমাদের দক্ষিণ বল্লবপুর ও হিলুয়া শাখার খামারে নিয়মিত প্রয়োগ করি:
ফেনী ও মহিপাল এলাকার সচেতন ক্রেতাদের মাঝে কোয়েলের ডিম ও মাংসের চাহিদা দিন দিন ব্যাপক আকার ধারণ করছে। কোয়েলের ডিমে সাধারণ মুরগির ডিমের তুলনায় প্রোটিন, এসেনশিয়াল ভিটামিন এবং আয়রনের মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এটি ছোট বাচ্চাদের মেধা বিকাশ এবং বয়স্কদের শারীরিক পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী।
আমরা কেবল কোয়েলের বাচ্চা বিক্রিতেই সীমাবদ্ধ থাকি না; আমাদের আধুনিক ইনকিউবেটর প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ হ্যাচিং রেট ও শক্তিশালী ভাইটালিটি নিশ্চিত করি।
বেকারত্ব দূর করতে বা ঘরের পুষ্টি মেটাতে আজই কোয়েল পালন শুরু করুন। যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন।
পরিচালক: হিমি
ফোন/হটলাইন: ০১৮৫৮৯৬৯২৪৭
ঠিকানা: দক্ষিণ বল্লবপুর, হিলুয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
কোয়েল পাখি অত্যন্ত দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় মাত্র ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ বা প্রায় ৪৫ দিনের মধ্যে নিয়মিত ডিম দেওয়া শুরু করে।
একটি পূর্ণবয়স্ক কোয়েল প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ২৫ গ্রাম খাবার গ্রহণ করে, যা অন্য যেকোনো পাখির তুলনায় অনেক কম।
বাণিজ্যিকভাবে ডিম উৎপাদনের জন্য খাঁচা পদ্ধতি বা কেজ সিস্টেম (Cage System) সবচেয়ে বেশি লাভজনক ও স্বাস্থ্যসম্মত।
কোয়েলের ডিমে মুরগির ডিমের তুলনায় অধিক পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন এবং আয়রন বিদ্যমান থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।
আমাদের হটলাইন নাম্বারে (০১৮৫৮৯৬৯২৪৭) যোগাযোগ করে অথবা সরাসরি হিলুয়া ও দক্ষিণ বল্লবপুর শাখায় এসে বুকিং করতে পারেন।
হ্যাঁ, ফেনী ছাড়াও কুরিয়ার ও পরিবহন সার্ভিসের মাধ্যমে আশপাশের জেলাগুলোতেও সুরক্ষিতভাবে সুস্থ বাচ্চা ও পার্টস পাঠানো হয়।
জরুরি নোট: খামার ব্যবস্থাপনায় যেকোনো বড় কারিগরি সিদ্ধান্ত বা রোগবালাই দমনে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আমি হিমি, পেশায় একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং নেশায় একজন খামারি। প্রযুক্তি এবং কৃষির সমন্বয়ে খামারকে লাভজনক করার অভিজ্ঞতাগুলোই আমি এখানে শেয়ার করি।