বাংলাদেশের কমার্শিয়াল পোল্ট্রি শিল্পে সোনালী মুরগি (Sonali Chicken) একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় নাম। এর প্রধান কারণ হলো এই জাতটির মাংসের ফ্লেভার ও স্বাদ অনেকটা দেশি মুরগির মতোই এবং ব্রয়লারের তুলনায় এটি পালনে ঝুঁকি ও মরটালিটি অনেক কম। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী এবং দাগনভূঞার বহুসংখ্যক উদ্যোক্তা এখন বাণিজ্যিকভাবে সোনালী মুরগি পালন করে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছেন। হিমি এগ্রো (Himi Agro) খামারে আমরা শতভাগ বিশুদ্ধ প্যারেন্ট স্টক থেকে উৎপাদিত উন্নত মানের সোনালী বাচ্চার সাপ্লাই দিয়ে আসছি, যা ফেনী অঞ্চলের খামারিদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
খামারিদের কাছে সোনালী জাতটি এতটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে এর কিছু অনন্য জৈবিক ও বাজারগত সুবিধা:
সোনালী মুরগি পালন থেকে কাঙ্ক্ষিত লাভ পেতে হলে শেড পরিচালনার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে:
ফেনীর বাজারে সস্তা ও মিশ্র জাতের বাচ্চার ছড়াছড়ি থাকলেও হিমি এগ্রো কেন আলাদা এবং খামারিদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু, তার সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে:
ফেনী সদর এবং মহিপাল এলাকার বড় পাইকারি পোল্ট্রি বাজারগুলোতে সোনালী মুরগির চাহিদা ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। আপনি যদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে ২০০০ থেকে ৩০০০ মুরগির একটি মাঝারি খামার গড়ে তুলতে পারেন, তবে এটি আপনার পরিবারের জন্য একটি স্থায়ী ও লাভজনক আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়াবে। হিমি এগ্রো কেবল বাচ্চা বিক্রি করেই দায় সারে না, বরং সফলভাবে বাজারজাতকরণেও খামারিদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে থাকে।
সোনালী মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী হন। মানসম্মত বাচ্চা ও সঠিক পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
পরিচালক: হিমি
ফোন/হটলাইন: ০১৮৫৮৯৬৯২৪৭
ঠিকানা: দক্ষিণ বল্লবপুর, হিলুয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
সোনালী মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্রয়লারের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয় এবং এর বাজারদর সবসময় স্থিতিশীল থাকে বলে ঝুঁকি কম হয়।
সঠিক ফিড ও পরিচর্যা পেলে সোনালী মুরগি সাধারণত ২ থেকে আড়াই মাসের মধ্যে বিক্রির উপযুক্ত বাণিজ্যিক ওজন অর্জন করে।
শেডে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল এবং প্রথম সপ্তাহে নিখুঁত ব্রুডিং ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।
জি হ্যাঁ, খামারিদের সুবিধার জন্য প্রতিটি বাচ্চার লটের সাথে বয়স ভিত্তিক একটি সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনেশন চার্ট বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।
আমাদের হটলাইন নাম্বারে (০১৮৫৮৯৬৯২৪৭) যোগাযোগ করে অথবা সরাসরি হিলুয়া ও দক্ষিণ বল্লবপুর শাখায় এসে বুকিং করতে পারেন।
হ্যাঁ, ফেনী ছাড়াও কুরিয়ার ও পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে আশপাশের জেলাগুলোতে সুরক্ষিতভাবে সুস্থ বাচ্চা পাঠানো হয়।
জরুরি নোট: খামার ব্যবস্থাপনায় যেকোনো বড় কারিগরি সিদ্ধান্ত বা রোগবালাই দমনে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আমি হিমি, পেশায় একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং নেশায় একজন খামারি। প্রযুক্তি এবং কৃষির সমন্বয়ে খামারকে লাভজনক করার অভিজ্ঞতাগুলোই আমি এখানে শেয়ার করি।